০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেট জিরো লক্ষ্যার্জনে ভারত উদ্যোগ নিয়েছে

ভারত কোপ-২৬ এ প্রদানকৃত প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরো নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। ০২ মে, সোমবার, ভারত-জার্মানি আন্তঃসরকারি কমিশনের অংশ হিসাবে জার্মানীর পরিবেশ, প্রকৃতি সংরক্ষণ, পারমাণবিক সুরক্ষা এবং ভোক্তা সুরক্ষামন্ত্রী স্টেফি লেমকের সাথে প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনাকালে এমন অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

জিতেন্দ্র বলেন, “ভারত যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- জাতীয় হাইড্রোজেন শক্তি মিশন। এছাড়া, সবুজায়নের উপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। আভ্যন্তরীণ নৌপথ সমৃদ্ধ করতেও কাজ করা হচ্ছে।” পরবর্তীতে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বিবৃতি দেয় ভারতের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকের আলোচ্যসূচি ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, জৈবিক বৈচিত্র্য, মহাসাগর এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। জলবায়ু এবং আবহাওয়ার উপর আসন্ন ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ডঃ জিতেন্দ্র সিং ভারতের মডেল উন্নয়ন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে পূর্বাভাসের প্রয়োগ এবং অবশ্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা/মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার সহ এই ক্ষেত্রে ভারত-জার্মানী সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

জিতেন্দ্র বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের অন্যতম কৌশলগত স্তম্ভ। আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষণার উদীয়মান ক্ষেত্রে, বিশেষত, আঞ্চলিক জলবায়ুর চরম প্রবণতা এবং গ্রীষ্মমন্ডল সহ দুর্বল অঞ্চলগুলোর পরিবর্তনশীলতার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে হবে।”

জিতেন্দ্র তার জার্মান প্রতিপক্ষকে জানান যে, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস (আইএনসিওআইএস), হায়দ্রাবাদের ভারতীয় সুনামি আর্লি ওয়ার্নিং সেন্টার (আইটিইডব্লিউসি) ভারত মহাসাগরের রিম দেশগুলোতে সুনামি সম্পর্কিত বিপদের জন্য আগাম সতর্কতা তথ্য প্রদান করে।

তিনি যোগ করেছেন, ভারত জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা – আন্তঃসরকারি সমুদ্রবিজ্ঞান কমিশন (ইউনেস্কো-আইওসি) এর অধীনে সুনামি পরিষেবা প্রদানকারী (টিএসপি) হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগাতে জার্মানিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদী মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ এই সদস্য।

আলোচনা চলাকালীন জিতেন্দ্র সম্ভাব্য সুনামি বিপদ মূল্যায়ন এবং ভূমিকম্পের কারণে সমুদ্রের নিচের ভূমিধসের দ্বারা সৃষ্ট ‘অ্যাটিপিকাল সুনামি’ সহ সুনামির প্রাথমিক সনাক্তকরণ এর অনেক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিকাশের প্রস্তাব করেন বলে বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

নেট জিরো লক্ষ্যার্জনে ভারত উদ্যোগ নিয়েছে

প্রকাশ: ০৩:৩২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২

ভারত কোপ-২৬ এ প্রদানকৃত প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরো নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। ০২ মে, সোমবার, ভারত-জার্মানি আন্তঃসরকারি কমিশনের অংশ হিসাবে জার্মানীর পরিবেশ, প্রকৃতি সংরক্ষণ, পারমাণবিক সুরক্ষা এবং ভোক্তা সুরক্ষামন্ত্রী স্টেফি লেমকের সাথে প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনাকালে এমন অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

জিতেন্দ্র বলেন, “ভারত যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- জাতীয় হাইড্রোজেন শক্তি মিশন। এছাড়া, সবুজায়নের উপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। আভ্যন্তরীণ নৌপথ সমৃদ্ধ করতেও কাজ করা হচ্ছে।” পরবর্তীতে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বিবৃতি দেয় ভারতের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকের আলোচ্যসূচি ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, জৈবিক বৈচিত্র্য, মহাসাগর এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। জলবায়ু এবং আবহাওয়ার উপর আসন্ন ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ডঃ জিতেন্দ্র সিং ভারতের মডেল উন্নয়ন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে পূর্বাভাসের প্রয়োগ এবং অবশ্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা/মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার সহ এই ক্ষেত্রে ভারত-জার্মানী সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

জিতেন্দ্র বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের অন্যতম কৌশলগত স্তম্ভ। আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষণার উদীয়মান ক্ষেত্রে, বিশেষত, আঞ্চলিক জলবায়ুর চরম প্রবণতা এবং গ্রীষ্মমন্ডল সহ দুর্বল অঞ্চলগুলোর পরিবর্তনশীলতার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে হবে।”

জিতেন্দ্র তার জার্মান প্রতিপক্ষকে জানান যে, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস (আইএনসিওআইএস), হায়দ্রাবাদের ভারতীয় সুনামি আর্লি ওয়ার্নিং সেন্টার (আইটিইডব্লিউসি) ভারত মহাসাগরের রিম দেশগুলোতে সুনামি সম্পর্কিত বিপদের জন্য আগাম সতর্কতা তথ্য প্রদান করে।

তিনি যোগ করেছেন, ভারত জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা – আন্তঃসরকারি সমুদ্রবিজ্ঞান কমিশন (ইউনেস্কো-আইওসি) এর অধীনে সুনামি পরিষেবা প্রদানকারী (টিএসপি) হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগাতে জার্মানিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদী মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ এই সদস্য।

আলোচনা চলাকালীন জিতেন্দ্র সম্ভাব্য সুনামি বিপদ মূল্যায়ন এবং ভূমিকম্পের কারণে সমুদ্রের নিচের ভূমিধসের দ্বারা সৃষ্ট ‘অ্যাটিপিকাল সুনামি’ সহ সুনামির প্রাথমিক সনাক্তকরণ এর অনেক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিকাশের প্রস্তাব করেন বলে বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক