০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রজন্ম যেন ‘জরুরি অবস্থার’ সময়কে না ভুলে: মোদী

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে অন্যতম ‘অন্ধকার’ অধ্যায় ছিল জরুরি অবস্থার সময়। আজকে মন কি বাত অনুষ্ঠানের ৯০তম সংস্করণে সেই সময়কেই মনে করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়, “সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য যাতে না ভোলা হয় জরুরি পরিস্থিতি।”

যুব সমাজের উদ্দেশে মোদী এদিন বলেন, “তোমরা কি জানো তোমাদের মা-বাবা যখন তোমার বয়সী, তখন একসময় তাঁদের কাছ থেকে বেঁচে থাকার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল! তোমরা নিশ্চয়ই ভাবছ যে এটা কিভাবে হতে পারে? এটা অসম্ভব। কিন্তু আমার তরুণ বন্ধুরা, আমাদের দেশে একবার এরকমই হয়েছিল। এটা ছিল ১৯৭৫ সালের আগে কথা। সেই সময়টা ছিল জুন মাস। তখন জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল।”

মোদী বলেন, “অমৃত মহোৎসব শুধু শত বছরের দাসত্ব থেকে মুক্তির বিজয়ের গাঁথা নয়, স্বাধীনতার পর ৭৫ বছরের যাত্রাকেও জুড়ে দেয়। ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় থেকে শিক্ষা নিয়েই আমরা এগিয়ে যাই। আজ যখন দেশ ৭৫ বছর উদযাপন করছে। অমৃত মহোৎসব উদযাপনের সময় জরুরি অবস্থার সেই ভয়ঙ্কর সময়কাল কখনই ভুললে চলবে না। আগামী প্রজন্ম যেন ভুলে না যায় এই সময়ের কথা। জরুরি অবস্থার সময় আম জনতার সংগ্রামের সাক্ষী হতে হয়েছিল দেশকে। আমারও সেই আন্দোলনের অংশীদার হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেই সময়ে ভারতের গণতন্ত্রকে চূর্ণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। দেশের আদালত, প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, প্রেস, সবই নিয়ন্ত্রিত ছিল। সেন্সরশিপের এমন অবস্থা ছিল যে অনুমোদন ছাড়া কিছুই ছাপানো যেতো না। আমার মনে আছে, তখন বিখ্যাত গায়ক কিশোর কুমার সরকারকে সাধুবাদ জানাতে অস্বীকার করেন এবং তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। রেডিওতে তাঁর অনুষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়।” খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

প্রজন্ম যেন ‘জরুরি অবস্থার’ সময়কে না ভুলে: মোদী

প্রকাশ: ০৮:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে অন্যতম ‘অন্ধকার’ অধ্যায় ছিল জরুরি অবস্থার সময়। আজকে মন কি বাত অনুষ্ঠানের ৯০তম সংস্করণে সেই সময়কেই মনে করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়, “সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য যাতে না ভোলা হয় জরুরি পরিস্থিতি।”

যুব সমাজের উদ্দেশে মোদী এদিন বলেন, “তোমরা কি জানো তোমাদের মা-বাবা যখন তোমার বয়সী, তখন একসময় তাঁদের কাছ থেকে বেঁচে থাকার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল! তোমরা নিশ্চয়ই ভাবছ যে এটা কিভাবে হতে পারে? এটা অসম্ভব। কিন্তু আমার তরুণ বন্ধুরা, আমাদের দেশে একবার এরকমই হয়েছিল। এটা ছিল ১৯৭৫ সালের আগে কথা। সেই সময়টা ছিল জুন মাস। তখন জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল।”

মোদী বলেন, “অমৃত মহোৎসব শুধু শত বছরের দাসত্ব থেকে মুক্তির বিজয়ের গাঁথা নয়, স্বাধীনতার পর ৭৫ বছরের যাত্রাকেও জুড়ে দেয়। ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় থেকে শিক্ষা নিয়েই আমরা এগিয়ে যাই। আজ যখন দেশ ৭৫ বছর উদযাপন করছে। অমৃত মহোৎসব উদযাপনের সময় জরুরি অবস্থার সেই ভয়ঙ্কর সময়কাল কখনই ভুললে চলবে না। আগামী প্রজন্ম যেন ভুলে না যায় এই সময়ের কথা। জরুরি অবস্থার সময় আম জনতার সংগ্রামের সাক্ষী হতে হয়েছিল দেশকে। আমারও সেই আন্দোলনের অংশীদার হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেই সময়ে ভারতের গণতন্ত্রকে চূর্ণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। দেশের আদালত, প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, প্রেস, সবই নিয়ন্ত্রিত ছিল। সেন্সরশিপের এমন অবস্থা ছিল যে অনুমোদন ছাড়া কিছুই ছাপানো যেতো না। আমার মনে আছে, তখন বিখ্যাত গায়ক কিশোর কুমার সরকারকে সাধুবাদ জানাতে অস্বীকার করেন এবং তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। রেডিওতে তাঁর অনুষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়।” খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক