০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রতিরক্ষায় সম্পর্কোন্নয়নে ভারত-বাংলাদেশ সংলাপ

পরস্পরের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে দুদেশের মধ্যকার সামরিক সংলাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দুদেশের প্রতিরক্ষা খাতে দ্বিপক্ষীয় নানা পদক্ষেপের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয় ‘চতুর্থ বাংলাদেশ ভারত বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে।

সংলাপে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমারের যৌথ সভাপতিত্বে সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশকে দেওয়া ভারতের ৫০ কোটি ডলারের লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) ব্যবহারের বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

২০১৭ সালে প্রতিরক্ষা খাতে সরঞ্জাম কেনার জন্য ৫০ কোটি ডলারের ওই চুক্তিটি করে দু দেশ। সে সময় প্রতিরক্ষা খাতে একে অপরকে সহযোগিতা, দুদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও কৌশলবিষয়ক শিক্ষা এবং ডিফেন্স স্টাফ কলেজপর্যায়ে সামরিক খাতে কৌশল ও পরিচালন-সংক্রান্ত শিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতাবিষয়ক তিনটি সমঝোতা সইও হয়।

গতকালের সংলাপে ঋণের থেকে সরঞ্জাম সংগ্রহ করা ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে সহযোগিতা, জঙ্গিবাদ দমন, যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরকে কেন্দ্র করে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ কিছুটা বেড়েছে। তৎপর হয়েছেন দুদেশের পররাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। গত ৪ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামসের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, আইন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সামরিক খাতে দেওয়া ঋণ ব্যবহারে ভারতের তাগাদা নিয়েও আলোচনা হয়। শেখ হাসিনা সর্বশেষ ২০১৯ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মোদির আমন্ত্রণে আবারও ভারত সফরে যাওয়ার কথা শেখ হাসিনার। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

প্রতিরক্ষায় সম্পর্কোন্নয়নে ভারত-বাংলাদেশ সংলাপ

প্রকাশ: ০৯:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২

পরস্পরের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে দুদেশের মধ্যকার সামরিক সংলাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দুদেশের প্রতিরক্ষা খাতে দ্বিপক্ষীয় নানা পদক্ষেপের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয় ‘চতুর্থ বাংলাদেশ ভারত বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে।

সংলাপে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমারের যৌথ সভাপতিত্বে সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশকে দেওয়া ভারতের ৫০ কোটি ডলারের লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) ব্যবহারের বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

২০১৭ সালে প্রতিরক্ষা খাতে সরঞ্জাম কেনার জন্য ৫০ কোটি ডলারের ওই চুক্তিটি করে দু দেশ। সে সময় প্রতিরক্ষা খাতে একে অপরকে সহযোগিতা, দুদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও কৌশলবিষয়ক শিক্ষা এবং ডিফেন্স স্টাফ কলেজপর্যায়ে সামরিক খাতে কৌশল ও পরিচালন-সংক্রান্ত শিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতাবিষয়ক তিনটি সমঝোতা সইও হয়।

গতকালের সংলাপে ঋণের থেকে সরঞ্জাম সংগ্রহ করা ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে সহযোগিতা, জঙ্গিবাদ দমন, যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরকে কেন্দ্র করে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ কিছুটা বেড়েছে। তৎপর হয়েছেন দুদেশের পররাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। গত ৪ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামসের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, আইন ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সামরিক খাতে দেওয়া ঋণ ব্যবহারে ভারতের তাগাদা নিয়েও আলোচনা হয়। শেখ হাসিনা সর্বশেষ ২০১৯ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মোদির আমন্ত্রণে আবারও ভারত সফরে যাওয়ার কথা শেখ হাসিনার। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক