০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারত-চীন সম্পর্ক গোটা বিশ্বের মঙ্গল

ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা দরকার, দেশগুলির এবং ওই রিজিয়নের স্বার্থেই এটা করা দরকার। জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। চীনের রাষ্ট্রদূতের ফেয়ারওয়েল সংক্রান্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে একথা জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

তবে চীনের বিদায়ী দূত সান ওয়েডং এনিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি। তাঁর মতে দুই দেশের মধ্যে কিছু ফারাক থাকাটা খুব স্বাভাবিক।

ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, এশিয়া, বৃহত্তর অর্থে গোটা বিশ্ব আর দুদেশের স্বার্থেই ভারত- চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া দরকার। পারস্পরিক বোঝাপড়া, শান্তি ও স্থিতাবস্থা সীমান্তে বজায় রাখা অত্যন্ত দরকার। জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

তিনটি বিষয়ের উপর জোর দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা ও পারস্পরিক স্বার্থের উপর জোর দেন তিনি। এর সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা না থাকলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কোনোদিনই স্বাভাবিক হবে না।

এদিকে বিদায় বেলায় চীনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, জিও পলিটিক্সের পশ্চিমী থিওরি অনুসারে দিল্লি ও বেজিংয়ের মাধ্যমে এই ফারাকটা হয়েছে। তাঁর মতে এর জেরে শুধু প্রতিযোগিতা ও দ্বন্দ্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হয় দুই দেশকে। কিন্তু এই খেলায় নিট ফল একেবারে শূন্য। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

ভারত-চীন সম্পর্ক গোটা বিশ্বের মঙ্গল

প্রকাশ: ০৩:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা দরকার, দেশগুলির এবং ওই রিজিয়নের স্বার্থেই এটা করা দরকার। জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। চীনের রাষ্ট্রদূতের ফেয়ারওয়েল সংক্রান্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে একথা জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

তবে চীনের বিদায়ী দূত সান ওয়েডং এনিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি। তাঁর মতে দুই দেশের মধ্যে কিছু ফারাক থাকাটা খুব স্বাভাবিক।

ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, এশিয়া, বৃহত্তর অর্থে গোটা বিশ্ব আর দুদেশের স্বার্থেই ভারত- চীনের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া দরকার। পারস্পরিক বোঝাপড়া, শান্তি ও স্থিতাবস্থা সীমান্তে বজায় রাখা অত্যন্ত দরকার। জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

তিনটি বিষয়ের উপর জোর দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা ও পারস্পরিক স্বার্থের উপর জোর দেন তিনি। এর সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা না থাকলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কোনোদিনই স্বাভাবিক হবে না।

এদিকে বিদায় বেলায় চীনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, জিও পলিটিক্সের পশ্চিমী থিওরি অনুসারে দিল্লি ও বেজিংয়ের মাধ্যমে এই ফারাকটা হয়েছে। তাঁর মতে এর জেরে শুধু প্রতিযোগিতা ও দ্বন্দ্বের দিকে ঠেলে দেওয়া হয় দুই দেশকে। কিন্তু এই খেলায় নিট ফল একেবারে শূন্য। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক