০২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জি-২০ নেতৃত্বে ভারত, জি-৭ এ জাপান; সম্পর্ক বাড়ানোর সুযোগ

ইউক্রেন সংঘাত দ্বিতীয় বছরে প্রবেশ করার প্রেক্ষাপটে ভারত আসন্ন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফলের প্রতীকবাদের পরিবর্তে সারবত্তার দিকে মনোনিবেশ করবে। ভারতে অনুষ্ঠেয় গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মেলনের প্রধান সমন্বয়কারী হর্ষবর্ধন শ্রিংলা একথা বলেছেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত এ শীর্ষ সম্মেলন এড়িয়ে যেতে পারেন এমন একটি ইঙ্গিত মিলেছে। এর মধ্যে কর্মকর্তারা পৃথকভাবে বলেছেন, তারা আশা করছেন পুতিন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ভারত সফর করবেন। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে এ বছরেরই জুনে সম্মেলনটি হবে।
এর আগে পুতিন ২০২১ সালে ইতালিতে এবং ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত জি ২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে পারেননি।

শীর্ষ সম্মেলনে সব নেতার একসঙ্গে ছবি তোলার সমস্যার বিষয়ে ইন্দো-আমেরিকা ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হলে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত শ্রিংলা বলেন, ‘আমি মনে করি না প্রতীকবাদের ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো একটি জোট হিসাবে আমরা আজকের বিশ্বে খুব বেশি প্রয়োজন এমন সব সমাধানগুলো অর্জনের জন্য প্রচেষ্টা করব।’ শ্রিংলা আরও বলেন, কোনও নেতার সুনির্দিষ্ট উপস্থিতির বিষয়ে এখনই কথা বলা আগাম মন্তব্য করা হবে।

ভারত কর্তৃক আয়োজিত ভার্চুয়াল ‘গ্লোবাল সাউথ সামিট’-এর প্রাক্বালে শ্রিংলা বলেন, ইউক্রেন সংঘাত উন্নয়নশীল বিশ্বকে ক্রমবর্ধমান ঋণ, কম আয় এবং উচ্চ আমদানি বিলের মধ্যে ফেলেছে। এটি ভার্চুয়াল বৈঠকের আলোচ্যসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে। ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির অংশ হিসেবে এই ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।

শ্রিংলা বলেন, ‘অনেক উন্নয়নশীল দেশ আজ খাদ্য ও জ্বালানির উচ্চ আমদানি বিলের প্রভাবের সম্মুখীন। একইসঙ্গে তারা তাদের পণ্য ও পরিষেবার আন্তর্জাতিক চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় কম আয় পাচ্ছে। অনেক উন্নয়নশীল দেশের রেমিট্যান্স আয় কমে গেছে। অভিজ্ঞ এ ভারতীয় কূটনীতিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে আরও বলেন, অন্তত ৯০টি উন্নয়নশীল দেশ গভীর ঋণগ্রস্ততার দ্বারপ্রান্তে।

১২-১৩ জানুয়ারির ‘গ্লোবাল সাউথ শীর্ষ সম্মেলন-এ’ এই সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ভারত ১২০টি দেশকে গ্লোবাল সাউথ শীর্ষ সম্মেলন-এ’ আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এটি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নেতাদের অধিবেশনে’ উদ্বোধনী বক্তৃতার মাধ্যমে শুরু হবে। তারপর অর্থমন্ত্রী, পরিবেশ মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যদের দশটি অনলাইন অধিবেশন হবে৷ খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

 

ট্যাগ:

জি-২০ নেতৃত্বে ভারত, জি-৭ এ জাপান; সম্পর্ক বাড়ানোর সুযোগ

প্রকাশ: ০৭:০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৩

ইউক্রেন সংঘাত দ্বিতীয় বছরে প্রবেশ করার প্রেক্ষাপটে ভারত আসন্ন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফলের প্রতীকবাদের পরিবর্তে সারবত্তার দিকে মনোনিবেশ করবে। ভারতে অনুষ্ঠেয় গুরুত্বপূর্ণ এ সম্মেলনের প্রধান সমন্বয়কারী হর্ষবর্ধন শ্রিংলা একথা বলেছেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত এ শীর্ষ সম্মেলন এড়িয়ে যেতে পারেন এমন একটি ইঙ্গিত মিলেছে। এর মধ্যে কর্মকর্তারা পৃথকভাবে বলেছেন, তারা আশা করছেন পুতিন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ভারত সফর করবেন। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে এ বছরেরই জুনে সম্মেলনটি হবে।
এর আগে পুতিন ২০২১ সালে ইতালিতে এবং ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত জি ২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে পারেননি।

শীর্ষ সম্মেলনে সব নেতার একসঙ্গে ছবি তোলার সমস্যার বিষয়ে ইন্দো-আমেরিকা ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হলে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত শ্রিংলা বলেন, ‘আমি মনে করি না প্রতীকবাদের ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো একটি জোট হিসাবে আমরা আজকের বিশ্বে খুব বেশি প্রয়োজন এমন সব সমাধানগুলো অর্জনের জন্য প্রচেষ্টা করব।’ শ্রিংলা আরও বলেন, কোনও নেতার সুনির্দিষ্ট উপস্থিতির বিষয়ে এখনই কথা বলা আগাম মন্তব্য করা হবে।

ভারত কর্তৃক আয়োজিত ভার্চুয়াল ‘গ্লোবাল সাউথ সামিট’-এর প্রাক্বালে শ্রিংলা বলেন, ইউক্রেন সংঘাত উন্নয়নশীল বিশ্বকে ক্রমবর্ধমান ঋণ, কম আয় এবং উচ্চ আমদানি বিলের মধ্যে ফেলেছে। এটি ভার্চুয়াল বৈঠকের আলোচ্যসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে। ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির অংশ হিসেবে এই ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।

শ্রিংলা বলেন, ‘অনেক উন্নয়নশীল দেশ আজ খাদ্য ও জ্বালানির উচ্চ আমদানি বিলের প্রভাবের সম্মুখীন। একইসঙ্গে তারা তাদের পণ্য ও পরিষেবার আন্তর্জাতিক চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় কম আয় পাচ্ছে। অনেক উন্নয়নশীল দেশের রেমিট্যান্স আয় কমে গেছে। অভিজ্ঞ এ ভারতীয় কূটনীতিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে আরও বলেন, অন্তত ৯০টি উন্নয়নশীল দেশ গভীর ঋণগ্রস্ততার দ্বারপ্রান্তে।

১২-১৩ জানুয়ারির ‘গ্লোবাল সাউথ শীর্ষ সম্মেলন-এ’ এই সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ভারত ১২০টি দেশকে গ্লোবাল সাউথ শীর্ষ সম্মেলন-এ’ আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এটি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নেতাদের অধিবেশনে’ উদ্বোধনী বক্তৃতার মাধ্যমে শুরু হবে। তারপর অর্থমন্ত্রী, পরিবেশ মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যদের দশটি অনলাইন অধিবেশন হবে৷ খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক