০২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শ্রীলঙ্কার পাশেই আছে ভারত; স্পষ্টবার্তা জয়শঙ্করের

অন্য কারও মুখাপেক্ষী হয়ে বসে থাকেনি ভারত। শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য যা ঠিক বলে মনে করছে, সেটাই করেছে। আজ কলম্বো গিয়ে এ কথা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর কথায়, “আমরা দৃঢ় ভাবেই মনে করেছি, শ্রীলঙ্কার ঋণ দাতারা কলম্বোকে বেহাল অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা নেবে। তবে ভারত অন্যকারও পদক্ষেপের জন্য বসে থাকেনি। আমরা আইএমএফ-কে আর্থিক বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যাতে শ্রীলঙ্কা সম্পর্কে এগিয়ে যেতে পারে।”

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি আইএমএফ-কে চিঠি দিয়ে অর্থ জোগানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। শ্রীলঙ্কার ঋণ-কাঠামোর পুনর্বিন্যাসে সহায়তা করতে ভারতই প্রথম ঋণদানে এগিয়ে এসেছে। চিন, জাপান, ভারত প্রয়োজনীয় অর্থ ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিলে তবেই আইএমএফ-এর প্যাকেজ শ্রীলঙ্কার জন্য ছাড়া হবে।

বিদেশমন্ত্রীর কথায়, ‘‘ভারত বিশ্বস্ত প্রতিবেশী, আস্থাভাজন অংশীদার, যে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজনে বাড়তি পথ হাঁটতে তৈরি।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফ থেকে তিনি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রম সিংহকে যত শীঘ্রই সম্ভব ভারত সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আজ যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বিক্রম সিংহও ভারতের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ভারত আজ জানিয়েছে, জ্বালানি, পর্যটন, পরিকাঠামোর মতো ক্ষেত্রে ভারত অদূর ভবিষ্যতে বড় মাপের বিনিয়োগ করতে চায়। এই মুহূর্তে জ্বালানিকেই শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় সঙ্কট হিসাবে চিহ্নিত করেছেন জয়শঙ্কর। তাঁর কথায়, গোটা অঞ্চলে জ্বালানি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন। একমাত্র তা হলেই শ্রীলঙ্কা এর সুবিধা নিতে পারবে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

শ্রীলঙ্কার পাশেই আছে ভারত; স্পষ্টবার্তা জয়শঙ্করের

প্রকাশ: ১২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

অন্য কারও মুখাপেক্ষী হয়ে বসে থাকেনি ভারত। শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য যা ঠিক বলে মনে করছে, সেটাই করেছে। আজ কলম্বো গিয়ে এ কথা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর কথায়, “আমরা দৃঢ় ভাবেই মনে করেছি, শ্রীলঙ্কার ঋণ দাতারা কলম্বোকে বেহাল অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা নেবে। তবে ভারত অন্যকারও পদক্ষেপের জন্য বসে থাকেনি। আমরা আইএমএফ-কে আর্থিক বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যাতে শ্রীলঙ্কা সম্পর্কে এগিয়ে যেতে পারে।”

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি আইএমএফ-কে চিঠি দিয়ে অর্থ জোগানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। শ্রীলঙ্কার ঋণ-কাঠামোর পুনর্বিন্যাসে সহায়তা করতে ভারতই প্রথম ঋণদানে এগিয়ে এসেছে। চিন, জাপান, ভারত প্রয়োজনীয় অর্থ ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিলে তবেই আইএমএফ-এর প্যাকেজ শ্রীলঙ্কার জন্য ছাড়া হবে।

বিদেশমন্ত্রীর কথায়, ‘‘ভারত বিশ্বস্ত প্রতিবেশী, আস্থাভাজন অংশীদার, যে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজনে বাড়তি পথ হাঁটতে তৈরি।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফ থেকে তিনি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রম সিংহকে যত শীঘ্রই সম্ভব ভারত সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আজ যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বিক্রম সিংহও ভারতের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ভারত আজ জানিয়েছে, জ্বালানি, পর্যটন, পরিকাঠামোর মতো ক্ষেত্রে ভারত অদূর ভবিষ্যতে বড় মাপের বিনিয়োগ করতে চায়। এই মুহূর্তে জ্বালানিকেই শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় সঙ্কট হিসাবে চিহ্নিত করেছেন জয়শঙ্কর। তাঁর কথায়, গোটা অঞ্চলে জ্বালানি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন। একমাত্র তা হলেই শ্রীলঙ্কা এর সুবিধা নিতে পারবে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক