০২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিসির ভারত সফরে জোরালো বাণিজ্য সম্পর্ক

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসাবে ভারতে এসেছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি। কর্তব্য পথে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে উপস্থিতি থাকার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর সম্মানে বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়্গে, বেশ কয়েক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও অনেক বিশিষ্ট।

এর পর ভারত ও মিশরের তরফে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। সেই বৈঠকে জি২০ বৈঠকে ভারতের সভাপতিত্বের প্রশংসা করেছে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যাপারে আগামী দিনে একসঙ্গে বিভিন্ন কাজ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিশরে বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে ভারতীয় শিল্পপতিদের দেওয়াও হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

ভারতে এসে বুধবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন মিশর প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার কর্তব্য পথে পতাকা উত্তোলনের সময়ও উপস্থিত ছিলেন তিনি। এই প্রথম বার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি হলে মিশরের কোনও রাষ্ট্রপতি। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে মিশর সেনার একটি দলও মার্চ করেছে। সে দেশের ১৪৪ জন সেনা অংশ নিয়েছিলেন ওই মার্চে।

ভারতের সভাপতিত্বে জি২০ বৈঠক হয়েছে এ বছর। সেই বৈঠকে ভারতের ভূমিকার প্রশংসা শোনা গিয়েছে মিশর প্রেসিডেন্ট আল-সিসির বক্তব্যে। ভারতের সঙ্গে আল-সিসির বৈঠক নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। সেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন, দুই দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার ব্যাপারে সহযোগিতার ব্যাপারে সহমত হয়েছে দুই রাষ্ট্র।

পাশাপাশি সাংস্কৃতিক এবং দু দেশের প্রাদেশিক বিভিন্ন বিষয় এক সঙ্গে কাজ করার কথাও হয়েছে বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে। দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও পোক্ত করার বার্তাও ভারতের তরফে মিশরকে দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও গতি আনার চেষ্টা হয়েছে আল-সিসির ভারত সফরে। মিশরে শিল্পের বিস্তার ঘটাতে সুয়েজ ক্যানাল ইকোনমিক জোন (এসসিইজেড)। মিশরের এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় লগ্নির সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে আল-সিসির সফরে। আগামী দিনে ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে লগ্নির জন্য মাস্টার প্ল্যানও বানাবে ভারত। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

সিসির ভারত সফরে জোরালো বাণিজ্য সম্পর্ক

প্রকাশ: ০৯:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসাবে ভারতে এসেছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি। কর্তব্য পথে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে উপস্থিতি থাকার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁর সম্মানে বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়্গে, বেশ কয়েক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও অনেক বিশিষ্ট।

এর পর ভারত ও মিশরের তরফে যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। সেই বৈঠকে জি২০ বৈঠকে ভারতের সভাপতিত্বের প্রশংসা করেছে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যাপারে আগামী দিনে একসঙ্গে বিভিন্ন কাজ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিশরে বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে ভারতীয় শিল্পপতিদের দেওয়াও হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

ভারতে এসে বুধবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন মিশর প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার কর্তব্য পথে পতাকা উত্তোলনের সময়ও উপস্থিত ছিলেন তিনি। এই প্রথম বার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি হলে মিশরের কোনও রাষ্ট্রপতি। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে মিশর সেনার একটি দলও মার্চ করেছে। সে দেশের ১৪৪ জন সেনা অংশ নিয়েছিলেন ওই মার্চে।

ভারতের সভাপতিত্বে জি২০ বৈঠক হয়েছে এ বছর। সেই বৈঠকে ভারতের ভূমিকার প্রশংসা শোনা গিয়েছে মিশর প্রেসিডেন্ট আল-সিসির বক্তব্যে। ভারতের সঙ্গে আল-সিসির বৈঠক নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। সেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন, দুই দেশের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার ব্যাপারে সহযোগিতার ব্যাপারে সহমত হয়েছে দুই রাষ্ট্র।

পাশাপাশি সাংস্কৃতিক এবং দু দেশের প্রাদেশিক বিভিন্ন বিষয় এক সঙ্গে কাজ করার কথাও হয়েছে বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে। দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও পোক্ত করার বার্তাও ভারতের তরফে মিশরকে দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও গতি আনার চেষ্টা হয়েছে আল-সিসির ভারত সফরে। মিশরে শিল্পের বিস্তার ঘটাতে সুয়েজ ক্যানাল ইকোনমিক জোন (এসসিইজেড)। মিশরের এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় লগ্নির সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে আল-সিসির সফরে। আগামী দিনে ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে লগ্নির জন্য মাস্টার প্ল্যানও বানাবে ভারত। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক