০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গুয়াহাটিতে জি-২০ আর্থিক কমিটির বৈঠক

জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে আসামে এসে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। তাঁদের স্বাগত জানাল হাতি। এই রকম অভ্যর্থনা পেয়ে অভিভূত ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার থেকে গুয়াহাটিতে শুরু হচ্ছে দুদিনের জি২০ বৈঠক। এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ঘুরে দেখলেন কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক। সেখানে তাঁদেরকে স্বাগত জানায় হাতির দল। সেই সঙ্গেই জিপ সাফারি করেন তাঁরা। ইউনেসকো-র বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানে তকমা পাওয়া এই উদ্যান ঘুরে উচ্ছ্বসিত তাঁরা।

এই বৈঠকে যোগ দিতে আসামে এসেছেন ২০টি দেশের ৯৪জন প্রতিনিধি। জি২০ বৈঠকের আগে সাজিয়ে তোলা হয়েছে গুয়াহাটি শহর। থিম গেটের সঙ্গে ২০টি দেশের পতাকা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এলাকা। বুধবারই সেখানে এসে কাজিরাঙা যান তাঁরা।

সূত্রের খবর, ওই প্রতিনিধি দলটিকে কাজিরাঙা ছাড়াও পবিতরা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি, গারভাঙ্গা সংরক্ষিত বন, ব্রহ্মপুত্র নদের দ্বীপ এবং সেখানের হেরিটেজ সেন্টার ঘুরিয়ে দেখানোর প্রস্তুতি নিয়েছে অসম সরকার। আসামে যে একটি অসামান্য জীববৈচিত্র এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরম্পরা আছে তাও এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরা যাবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।

বুধবার, গোলাঘাট জেলায় আসেন ওই প্রতিনিধিরা। তাঁরা কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের বাগরী এবং কহরা এলাকায় জিপ সাফারি করেন। গণ্ডারের জন্য বিখ্যাত এই এলাকা। সেখানে ঘুরে দেখানোর আগে কাজিরাঙায় কী ধরনের প্রাণী আছে এবং এই বন্যপ্রাণীর জন্য কী রকম বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে তাও তাঁদেরকে জানান কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক-এর আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার গুয়াহাটিতে এই জি২০-র উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল। মার্চ এবং এপ্রিল মাসেও আবার সেখানে এই বৈঠক হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে ভারতে শুরু হয়েছে জি-২০ বৈঠক। এই বৈঠক চলবে চলতি বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত। অসম, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অন্য রাজ্যেও হচ্ছে এই বৈঠক। বিশ্ব অর্থনীতিতে এগিয়ে থাকা ২০টি দেশকে গিয়ে গঠিত হয়েছে এই জি২০। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছাড়াও আরও ১৯টি দেশ আছে তাতে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনীতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এর লক্ষ্য।

এর পরেই, গুয়াহাটিতে আয়োজন করা হবে ইয়ুথ ২০ ইনসেপশন মিটিং। ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি, ওই বৈঠকে থাকবেন প্রায় ২৫০ জন প্রতিনিধি। এই আয়োজন করা হয়েছে গুয়াহাটি আইআইটি-তেও। অসমের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০ জনও অংশ নেবে তাতে। যুবকদের গণতন্ত্রে অংশগ্রহণ করা এবং পরিবেশের দূষণ রোধ করা নিয়েও আলোচনা হবে সেখানে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

গুয়াহাটিতে জি-২০ আর্থিক কমিটির বৈঠক

প্রকাশ: ০৮:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে আসামে এসে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। তাঁদের স্বাগত জানাল হাতি। এই রকম অভ্যর্থনা পেয়ে অভিভূত ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার থেকে গুয়াহাটিতে শুরু হচ্ছে দুদিনের জি২০ বৈঠক। এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ঘুরে দেখলেন কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক। সেখানে তাঁদেরকে স্বাগত জানায় হাতির দল। সেই সঙ্গেই জিপ সাফারি করেন তাঁরা। ইউনেসকো-র বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানে তকমা পাওয়া এই উদ্যান ঘুরে উচ্ছ্বসিত তাঁরা।

এই বৈঠকে যোগ দিতে আসামে এসেছেন ২০টি দেশের ৯৪জন প্রতিনিধি। জি২০ বৈঠকের আগে সাজিয়ে তোলা হয়েছে গুয়াহাটি শহর। থিম গেটের সঙ্গে ২০টি দেশের পতাকা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এলাকা। বুধবারই সেখানে এসে কাজিরাঙা যান তাঁরা।

সূত্রের খবর, ওই প্রতিনিধি দলটিকে কাজিরাঙা ছাড়াও পবিতরা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি, গারভাঙ্গা সংরক্ষিত বন, ব্রহ্মপুত্র নদের দ্বীপ এবং সেখানের হেরিটেজ সেন্টার ঘুরিয়ে দেখানোর প্রস্তুতি নিয়েছে অসম সরকার। আসামে যে একটি অসামান্য জীববৈচিত্র এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরম্পরা আছে তাও এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরা যাবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।

বুধবার, গোলাঘাট জেলায় আসেন ওই প্রতিনিধিরা। তাঁরা কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের বাগরী এবং কহরা এলাকায় জিপ সাফারি করেন। গণ্ডারের জন্য বিখ্যাত এই এলাকা। সেখানে ঘুরে দেখানোর আগে কাজিরাঙায় কী ধরনের প্রাণী আছে এবং এই বন্যপ্রাণীর জন্য কী রকম বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে তাও তাঁদেরকে জানান কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক-এর আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার গুয়াহাটিতে এই জি২০-র উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল। মার্চ এবং এপ্রিল মাসেও আবার সেখানে এই বৈঠক হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে ভারতে শুরু হয়েছে জি-২০ বৈঠক। এই বৈঠক চলবে চলতি বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত। অসম, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অন্য রাজ্যেও হচ্ছে এই বৈঠক। বিশ্ব অর্থনীতিতে এগিয়ে থাকা ২০টি দেশকে গিয়ে গঠিত হয়েছে এই জি২০। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছাড়াও আরও ১৯টি দেশ আছে তাতে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনীতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এর লক্ষ্য।

এর পরেই, গুয়াহাটিতে আয়োজন করা হবে ইয়ুথ ২০ ইনসেপশন মিটিং। ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি, ওই বৈঠকে থাকবেন প্রায় ২৫০ জন প্রতিনিধি। এই আয়োজন করা হয়েছে গুয়াহাটি আইআইটি-তেও। অসমের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০ জনও অংশ নেবে তাতে। যুবকদের গণতন্ত্রে অংশগ্রহণ করা এবং পরিবেশের দূষণ রোধ করা নিয়েও আলোচনা হবে সেখানে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক