১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ইন্দোরে জি-২০ কৃষি কমিটির বৈঠক

কৃষি উড়ান প্রকল্প ইতিমধ্যে বিরাট সাফল্য পেয়েছে। কৃষি উড়ান প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যে ৩১টি বিমানবন্দর হয়েছে। এবার এই প্রকল্পের অধীনে আরও ২১টি বিমানবন্দর হবে। মঙ্গলবার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত জি-২০ কৃষি অধিকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকের দ্বিতীয় দিন এমনটাই জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

তিনি বলেন, “কৃষি উড়ানের অধীনে কমপক্ষে ৩১টি বিমানবন্দর রয়েছে। আরও ২১টি বিমানবন্দর করার ব্যাপারে আমরা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলেছি।” এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকেরা বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

কৃষি উড়ান সম্পর্কে ব্যাখ্যা করে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানান, কৃষি উড়ান বিমান মানে কৃষিজ পণ্য দ্রুত এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং ইতিমধ্যে এই প্রকল্প বড় সাফল্য পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসাবে মন্ত্রী বলেন, “বু, কাঁঠাল এবং আঙুর উত্তর-পূর্বে অত্যধিক ফলে এবং এগুলো কেবল দেশের অন্য প্রান্তে সরবরাহ করা হয় না, জার্মানি, লন্ডন, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপিন্সেও রপ্তানি করা হয়। তাই কৃষকদের জন্য কৃষি উড়ান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই কৃষিজ ফসল এবং মাছ দ্রুত সরবরাহ করতে আরও ২১টি বিমান কৃষি উড়ান প্রকল্পের সঙ্গে জুড়তে চাইছে সরকার।”

এদিন জি-২০ কৃষি সামিটের প্রথম বৈঠকের প্রতিনিধিরা কৃষিজ পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে মূলত চারটি প্রধান বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথমত- খাদ্য সুরক্ষা এবং পুষ্টি, দ্বিতীয়ত- জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থা, তৃতীয়ত- কৃষিতে মূল্য-শৃঙ্খল এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং কৃষি রূপান্তরের ডিজিটালাইজেশন।

জানা গিয়েছে, জি-২০ কৃষি সামিটের প্রথম বৈঠক ১৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার পর্যন্ত। দেশের সবচেয়ে স্বচ্ছ শহরের তকমাপ্রাপ্ত ইন্দোরে আয়োজিত এই বৈঠকে ৩০টি দেশের ৮৯ জন কৃষি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দু-দিন দেশের কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষদিন অর্থাৎ বুধবার দেশের কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা এবং সেই সব সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের কৃষি প্রতিনিধিরা দিশা দেখাবেন বলে সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অক্টোবরে কৃষি উড়ান যোজনা-২-এর ঘোষণা করা হয়। মূলত উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য এলাকা, আদিবাসী এলাকা সহ প্রত্যন্ত এলাকায় উৎপাদিত কৃষিজ ফসল দ্রুত বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করার লক্ষ্যেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। বিমানের মাধ্যমে কৃষিজ পণ্য সরবরাহের সুবিধার্থে এবং কৃষকদের এ ব্যাপারে উৎসাহ দিতে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বিমান অবতরণ, পার্কিং, টার্মিনাল নেভিগেশনাল অবতরণের ফি, রুট নেভিগেশন পরিষেবার ফি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

ইন্দোরে জি-২০ কৃষি কমিটির বৈঠক

প্রকাশ: ০৭:২৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কৃষি উড়ান প্রকল্প ইতিমধ্যে বিরাট সাফল্য পেয়েছে। কৃষি উড়ান প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যে ৩১টি বিমানবন্দর হয়েছে। এবার এই প্রকল্পের অধীনে আরও ২১টি বিমানবন্দর হবে। মঙ্গলবার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত জি-২০ কৃষি অধিকর্তাদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকের দ্বিতীয় দিন এমনটাই জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

তিনি বলেন, “কৃষি উড়ানের অধীনে কমপক্ষে ৩১টি বিমানবন্দর রয়েছে। আরও ২১টি বিমানবন্দর করার ব্যাপারে আমরা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলেছি।” এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকেরা বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

কৃষি উড়ান সম্পর্কে ব্যাখ্যা করে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানান, কৃষি উড়ান বিমান মানে কৃষিজ পণ্য দ্রুত এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং ইতিমধ্যে এই প্রকল্প বড় সাফল্য পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসাবে মন্ত্রী বলেন, “বু, কাঁঠাল এবং আঙুর উত্তর-পূর্বে অত্যধিক ফলে এবং এগুলো কেবল দেশের অন্য প্রান্তে সরবরাহ করা হয় না, জার্মানি, লন্ডন, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপিন্সেও রপ্তানি করা হয়। তাই কৃষকদের জন্য কৃষি উড়ান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাই কৃষিজ ফসল এবং মাছ দ্রুত সরবরাহ করতে আরও ২১টি বিমান কৃষি উড়ান প্রকল্পের সঙ্গে জুড়তে চাইছে সরকার।”

এদিন জি-২০ কৃষি সামিটের প্রথম বৈঠকের প্রতিনিধিরা কৃষিজ পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে মূলত চারটি প্রধান বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথমত- খাদ্য সুরক্ষা এবং পুষ্টি, দ্বিতীয়ত- জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থা, তৃতীয়ত- কৃষিতে মূল্য-শৃঙ্খল এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং কৃষি রূপান্তরের ডিজিটালাইজেশন।

জানা গিয়েছে, জি-২০ কৃষি সামিটের প্রথম বৈঠক ১৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার পর্যন্ত। দেশের সবচেয়ে স্বচ্ছ শহরের তকমাপ্রাপ্ত ইন্দোরে আয়োজিত এই বৈঠকে ৩০টি দেশের ৮৯ জন কৃষি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দু-দিন দেশের কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষদিন অর্থাৎ বুধবার দেশের কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা এবং সেই সব সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের কৃষি প্রতিনিধিরা দিশা দেখাবেন বলে সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অক্টোবরে কৃষি উড়ান যোজনা-২-এর ঘোষণা করা হয়। মূলত উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য এলাকা, আদিবাসী এলাকা সহ প্রত্যন্ত এলাকায় উৎপাদিত কৃষিজ ফসল দ্রুত বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করার লক্ষ্যেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। বিমানের মাধ্যমে কৃষিজ পণ্য সরবরাহের সুবিধার্থে এবং কৃষকদের এ ব্যাপারে উৎসাহ দিতে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বিমান অবতরণ, পার্কিং, টার্মিনাল নেভিগেশনাল অবতরণের ফি, রুট নেভিগেশন পরিষেবার ফি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক