০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভারতের নেতৃত্বে প্রথাগত ওষুধের প্রচারে এসসিও দেশগুলো

নাম না করে চীনকে সতর্ক করল ভারত। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, যে কোনও মূল্যে আঞ্চলিক শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখতে হবে। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেনের বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বুধবার জোর দিয়ে বলেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্যের প্রয়োজন আছে। আলোচনা ও স্বচ্ছ ভূমিকার উপর নির্ভর করে তা। সব দেশকেই অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলিকে নিজ নিজ ভূখণ্ডের প্রতি সম্মান প্রদর্শন জরুরি। প্রতিবেশীর এলাকায় একচ্ছত্র সামরিক আধিপত্য বিস্তার কখনোই কাম্য নয়।

লাদাখ এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত-চীন ঝামেলার পরিপ্রেক্ষিতে দোভালের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দিল্লিতে আয়োজিত এদিনের এসসিও-র বৈঠকে ভাষণ দিতে গিয়ে একসঙ্গে চীন ও পাকিস্তানকে নিশানা করেন দোভাল। চীনকে লক্ষ্য করে তাঁর বক্তব্যের মূল লক্ষ্যই ছিল চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে পদে পদে ভারতের বিরোধিতার প্রতিবাদ হিসেবে। কারণ এই করিডর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। যা নিয়েই আপত্তি রয়েছে নয়াদিল্লির।

এসসিও-র এই বৈঠকে এদিন হাজির ছিলেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানের সরকারি পদস্থ ব্যক্তিরা। অর্গানাইজেশনের রিজিওনাল অ্যান্টি টেররিস্ট স্ট্রাকচারের প্রতিনিধিরা।

চীন এবং পাকিস্তান এই বৈঠকে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ করে। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা দোভাল বিশ্ব নিরাপত্তা যে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে আছে, তার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলেন, এর ফলে আঞ্চলিক প্রভাবও পড়ছে। এর মধ্যেই সদস্য দেশগুলি সামনের দিকে এগচ্ছে বলেও জানান।

গোষ্ঠীর চুক্তির কথা উল্লেখ করে দোভাল বলেন, আমরা পারস্পরিক সমঝোতা, অখণ্ড সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আঞ্চলিক সুস্থিতি এবং সীমান্তের মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে একমত হয়েছিলাম। সংশ্লিষ্ট এলাকায় কেউ একতরফা সামরিক ক্ষমতা প্রদর্শন, হুমকি কিংবা ভীতিজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে না। চুক্তিতে আরও বলা আছে, গোষ্ঠীর বাইরে অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলা। আন্তর্জাতিক ঝামেলায় আমরা মধ্যস্থ করব, তাও চুক্তিতে রয়েছে।

উল্লেখ্য, এখানে তাঁর বক্তব্যের লক্ষ্য ছিল রাশিয়া। বৈশ্বিক শান্তি নষ্ট করতে সন্ত্রাসবাদ এবং তার মদতদাতারাও এক গুরুতর বিপদ, বলেন দোভাল। সন্ত্রাস দমনে সব দেশকে দায়বদ্ধ থাকতে হবে। উল্লেখ করা যেতে পারে, এসসিও-র গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের একটি বৈঠক হবে নয়াদিল্লিতে আগামী ২৭-২৯ এপ্রিল। অন্যদিকে, গোয়ায় ৪-৫ মে বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক বসবে গোয়ায়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

ভারতের নেতৃত্বে প্রথাগত ওষুধের প্রচারে এসসিও দেশগুলো

প্রকাশ: ০১:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

নাম না করে চীনকে সতর্ক করল ভারত। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, যে কোনও মূল্যে আঞ্চলিক শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখতে হবে। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেনের বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বুধবার জোর দিয়ে বলেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্যের প্রয়োজন আছে। আলোচনা ও স্বচ্ছ ভূমিকার উপর নির্ভর করে তা। সব দেশকেই অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলিকে নিজ নিজ ভূখণ্ডের প্রতি সম্মান প্রদর্শন জরুরি। প্রতিবেশীর এলাকায় একচ্ছত্র সামরিক আধিপত্য বিস্তার কখনোই কাম্য নয়।

লাদাখ এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত-চীন ঝামেলার পরিপ্রেক্ষিতে দোভালের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দিল্লিতে আয়োজিত এদিনের এসসিও-র বৈঠকে ভাষণ দিতে গিয়ে একসঙ্গে চীন ও পাকিস্তানকে নিশানা করেন দোভাল। চীনকে লক্ষ্য করে তাঁর বক্তব্যের মূল লক্ষ্যই ছিল চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে পদে পদে ভারতের বিরোধিতার প্রতিবাদ হিসেবে। কারণ এই করিডর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। যা নিয়েই আপত্তি রয়েছে নয়াদিল্লির।

এসসিও-র এই বৈঠকে এদিন হাজির ছিলেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানের সরকারি পদস্থ ব্যক্তিরা। অর্গানাইজেশনের রিজিওনাল অ্যান্টি টেররিস্ট স্ট্রাকচারের প্রতিনিধিরা।

চীন এবং পাকিস্তান এই বৈঠকে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণ করে। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা দোভাল বিশ্ব নিরাপত্তা যে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে আছে, তার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলেন, এর ফলে আঞ্চলিক প্রভাবও পড়ছে। এর মধ্যেই সদস্য দেশগুলি সামনের দিকে এগচ্ছে বলেও জানান।

গোষ্ঠীর চুক্তির কথা উল্লেখ করে দোভাল বলেন, আমরা পারস্পরিক সমঝোতা, অখণ্ড সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আঞ্চলিক সুস্থিতি এবং সীমান্তের মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে একমত হয়েছিলাম। সংশ্লিষ্ট এলাকায় কেউ একতরফা সামরিক ক্ষমতা প্রদর্শন, হুমকি কিংবা ভীতিজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে না। চুক্তিতে আরও বলা আছে, গোষ্ঠীর বাইরে অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলা। আন্তর্জাতিক ঝামেলায় আমরা মধ্যস্থ করব, তাও চুক্তিতে রয়েছে।

উল্লেখ্য, এখানে তাঁর বক্তব্যের লক্ষ্য ছিল রাশিয়া। বৈশ্বিক শান্তি নষ্ট করতে সন্ত্রাসবাদ এবং তার মদতদাতারাও এক গুরুতর বিপদ, বলেন দোভাল। সন্ত্রাস দমনে সব দেশকে দায়বদ্ধ থাকতে হবে। উল্লেখ করা যেতে পারে, এসসিও-র গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের একটি বৈঠক হবে নয়াদিল্লিতে আগামী ২৭-২৯ এপ্রিল। অন্যদিকে, গোয়ায় ৪-৫ মে বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক বসবে গোয়ায়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক