১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নীতি সংস্কারে ভারতের সাহায্য চাইছে শ্রীলঙ্কা

একাধিক বিষয়ে ভারতের সাহায্য চাইলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে। নীতি রূপায়ণ থেকে শুরু করে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, সুপ্রশাসন ও আর্থিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা কীভাবে করা সম্ভব তা নিয়ে ভারতকে দিশা দেখানোর অনুরোধ জানান তিনি। আর্থিক বৃদ্ধির মুখ কীভাবে দেখা যায় তাও জানতে চান।

গত পয়লা এপ্রিল শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে ভারতের একটা প্রতিনিধিদল। শ্রীলঙ্কা সরকারের আমন্ত্রণেই দুই দিনের সেই সফরে যান ভারতীয় প্রতিনিধিরা। দলে ছিলেন ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গর্ভনেন্স-এর ডিরেক্টর জেনারেল ভরত লাল, শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় হাই কমিশনার গোপাল বাগলে, এ পি সিং, এনসিজিজি-র অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং মিশনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সিনিয়র কূটনীতিকরা।

সেই বৈঠকেই শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে তাঁর ভাবনাচিন্তার কথা ভারতীয় প্রতিনিধিদের জানান প্রেসিডেন্ট বিক্রমসিংঘে। সেদেশে সাম্প্রতিককালে যে আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে যে কৌশল গ্রহণ করার কথা তিনি ভাবছেন তা শেয়ার করেন।

গোটা বৈঠকে নীতি রূপায়ণ, সুপ্রশাসন, ডি়জিটালাইজেশন, প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান নির্মাণ-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে বলে পার্সোনেল, পাবলিক গ্রিভ্যান্সেস অ্যান্ড পেনসন্স মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়। শুধু তা-ই নয়, ভারত যেভাবে সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন করেছে, আর্থিক বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, তার প্রশংসা করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। আলোচনা চলাকালীন তিনি এনসিজিজি-র কাজে আর্জি জানান, গভর্নেন্স ও পাবলিক পলিসি নিয়ে শ্রীলঙ্কায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করার।

চূড়ান্ত ডামাডোলের মধ্যেই গত বছর জুলাই মাসে হয় শ্রীলঙ্কায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রনিল বিক্রমসিংহে। ১৩৪টি ভোট পড়ে তাঁর সমর্থনে। ফলে বিরাট ব্যবধানে জয়ী হন তিনি।

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর, গত ১৪ জুলাই শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন গোতাবায়া রাজাপক্ষ। তার পর রনিল এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মহিন্দা ইয়াপা আবেওয়ার্দেনার মধ্যে কোনও একজনই অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নিতে পারেন বলে শোনা যায়।

শেষমেশ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন রনিলই। এর আগে সর্বদলীয় সরকার গঠনে বিরোধীদের ডাক দিয়েছিলেন রনিল। তাতে খানিকটা নিমরাজি হলেও, বিরোধীদের তরফে সর্বাত্মক সাড়া মেলেনি। বর্তমানে রনিলের সামনে দেশে স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

নীতি সংস্কারে ভারতের সাহায্য চাইছে শ্রীলঙ্কা

প্রকাশ: ০৯:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩

একাধিক বিষয়ে ভারতের সাহায্য চাইলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে। নীতি রূপায়ণ থেকে শুরু করে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, সুপ্রশাসন ও আর্থিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা কীভাবে করা সম্ভব তা নিয়ে ভারতকে দিশা দেখানোর অনুরোধ জানান তিনি। আর্থিক বৃদ্ধির মুখ কীভাবে দেখা যায় তাও জানতে চান।

গত পয়লা এপ্রিল শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে ভারতের একটা প্রতিনিধিদল। শ্রীলঙ্কা সরকারের আমন্ত্রণেই দুই দিনের সেই সফরে যান ভারতীয় প্রতিনিধিরা। দলে ছিলেন ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গর্ভনেন্স-এর ডিরেক্টর জেনারেল ভরত লাল, শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় হাই কমিশনার গোপাল বাগলে, এ পি সিং, এনসিজিজি-র অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং মিশনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সিনিয়র কূটনীতিকরা।

সেই বৈঠকেই শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে তাঁর ভাবনাচিন্তার কথা ভারতীয় প্রতিনিধিদের জানান প্রেসিডেন্ট বিক্রমসিংঘে। সেদেশে সাম্প্রতিককালে যে আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে যে কৌশল গ্রহণ করার কথা তিনি ভাবছেন তা শেয়ার করেন।

গোটা বৈঠকে নীতি রূপায়ণ, সুপ্রশাসন, ডি়জিটালাইজেশন, প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান নির্মাণ-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে বলে পার্সোনেল, পাবলিক গ্রিভ্যান্সেস অ্যান্ড পেনসন্স মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়। শুধু তা-ই নয়, ভারত যেভাবে সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন করেছে, আর্থিক বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, তার প্রশংসা করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। আলোচনা চলাকালীন তিনি এনসিজিজি-র কাজে আর্জি জানান, গভর্নেন্স ও পাবলিক পলিসি নিয়ে শ্রীলঙ্কায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করার।

চূড়ান্ত ডামাডোলের মধ্যেই গত বছর জুলাই মাসে হয় শ্রীলঙ্কায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রনিল বিক্রমসিংহে। ১৩৪টি ভোট পড়ে তাঁর সমর্থনে। ফলে বিরাট ব্যবধানে জয়ী হন তিনি।

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর, গত ১৪ জুলাই শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন গোতাবায়া রাজাপক্ষ। তার পর রনিল এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মহিন্দা ইয়াপা আবেওয়ার্দেনার মধ্যে কোনও একজনই অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নিতে পারেন বলে শোনা যায়।

শেষমেশ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন রনিলই। এর আগে সর্বদলীয় সরকার গঠনে বিরোধীদের ডাক দিয়েছিলেন রনিল। তাতে খানিকটা নিমরাজি হলেও, বিরোধীদের তরফে সর্বাত্মক সাড়া মেলেনি। বর্তমানে রনিলের সামনে দেশে স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক