১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজা সীমান্তে ‘ইসরায়েলের চোখ’ যে তরুণীরা

প্রশিক্ষণরত এক ইসরায়েলি নারী সেনাফাইল ছবি: রয়টার্স

গাজা সীমান্তে ‘ইসরায়েলের চোখ’ হিসেবে পরিচিত তাঁরা। বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত এসব নারী সেনাসদস্যের বছরের পর বছর একটিই কাজ, সেটি হলো গাজা সীমান্ত ঘিরে থাকা ইসরায়েলি নজরদারি ঘাঁটিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে ‘সন্দেহজনক তৎপরতায়’ নজর রাখা।

গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলা করার কয়েক মাস আগে থেকেই বিপদের আঁচ করতে পারছিলেন এসব নারী সেনা। তাঁরা বলেন, এই সময়ের মধ্যে সীমান্তের ওপারে অতর্কিত আক্রমণ ও জিম্মি নেওয়ার মহড়ার পাশাপাশি তাঁরা কৃষকদের অদ্ভুত আচরণ করতেও দেখেন।

এসব নারী সেনার একজন নোয়া (প্রকৃত নাম নয়)। তিনি বলেন, সীমান্তের যেকোনো তথ্য তাঁরা গোয়েন্দা সংস্থা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জানান। এটিই তাঁদের কাজ। কিন্তু এ ছাড়া তাঁদের আর কিছু করার ক্ষমতা ছিল না। নোয়ার ভাষায়, ‘আমরা শুধু দেখতেই পেতাম।’

ট্যাগ:

গাজা সীমান্তে ‘ইসরায়েলের চোখ’ যে তরুণীরা

প্রকাশ: ০৭:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

গাজা সীমান্তে ‘ইসরায়েলের চোখ’ হিসেবে পরিচিত তাঁরা। বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত এসব নারী সেনাসদস্যের বছরের পর বছর একটিই কাজ, সেটি হলো গাজা সীমান্ত ঘিরে থাকা ইসরায়েলি নজরদারি ঘাঁটিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে ‘সন্দেহজনক তৎপরতায়’ নজর রাখা।

গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলা করার কয়েক মাস আগে থেকেই বিপদের আঁচ করতে পারছিলেন এসব নারী সেনা। তাঁরা বলেন, এই সময়ের মধ্যে সীমান্তের ওপারে অতর্কিত আক্রমণ ও জিম্মি নেওয়ার মহড়ার পাশাপাশি তাঁরা কৃষকদের অদ্ভুত আচরণ করতেও দেখেন।

এসব নারী সেনার একজন নোয়া (প্রকৃত নাম নয়)। তিনি বলেন, সীমান্তের যেকোনো তথ্য তাঁরা গোয়েন্দা সংস্থা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জানান। এটিই তাঁদের কাজ। কিন্তু এ ছাড়া তাঁদের আর কিছু করার ক্ষমতা ছিল না। নোয়ার ভাষায়, ‘আমরা শুধু দেখতেই পেতাম।’