০২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

দুর্মূল্যের বাজারে ফলের হালচাল

শীতের তীব্রতা কমায় বিভিন্ন ধরনের দেশি ফলের সরবরাহ বেড়েছে। তবে কমেনি দাম এবং বিক্রিও আশানুরূপ নয় বলছেন বিক্রেতারা।

আজ বুধবার সরেজমিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

কারওয়ান বাজারে দেশি ফলের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বলসুন্দরি বরই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪০-৮০ টাকায়, কুল বরই ৪০-১০০ টাকায় ও থাই আপেল বরই ৪০-৮০ টাকায়। এগুলো সাতক্ষীরা থেকে আসা। চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা দেশি পেয়ারার কেজি বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৩০-৭০ টাকা পর্যন্ত দরে।

শাহ আলী ফার্মের ব্যাপারি মো. মনির হোসেন জানান, গত শুক্রবার থেকে বরই ও পেয়ারার দাম কমেছে। এর আগে তুলনামূলক বেশি ছিল।

ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ থেকে আসা দেশি বেল ছোটগুলো ১০-১৫ টাকা পিস, আর বড়গুলো ৩০-৪০ টাকা। ভারত থেকে আসা বড় বেল আকার-মানভেদে পিসপ্রতি ১০০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফরিদপুর, যশোর ও সাতক্ষীরা থেকে আসা কদবেল প্রতি পিস ৭-৩০ টাকা।

সাতক্ষীরা ও ফরিদপুর থেকে আসা সফেদা ৫০ টাকা কেজি। সাতক্ষীরা থেকে আসা কাঠবাদাম ৮-১০ টাকা পিস।

ইসাবা এন্টারপ্রাইজের ব্যাপারি সুজন শেখ জানান, চাহিদা এখন কম। তবে শীত কমায় সরবরাহ বেশি আছে। গত সপ্তাহে সফেদার পাইকারি দাম ছিল কেজিপ্রতি ৬০-৭০ টাকা।

ঝিনাইদহ থেকে আসা চাম্পা কলা প্রতি পন (৮০ পিস) ১৮০-২০০ টাকা, সবরি কলা পনপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা ও বাংলা কলা ২৫০-৪০০ টাকা। মায়ের দোয়া ফল ভাণ্ডারের ব্যাপারি মো. মসিউর রহমান জানান, গত সপ্তাহ থেকে কলার দাম পনপ্রতি গড়ে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

দেশি ও দেশে উৎপাদিত থাই জাতের পেঁপে আসে রাঙ্গামাটি, সিলেট, টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর থেকে। পাইকারি দাম আকার-মানভেদে প্রতি কেজি ৪০-১২০ টাকা। আর দেশি পেঁপের দাম ৪০-৯০ টাকা।

মৌসুমি বাণিজ্যালয়ের ব্যাপারি ফয়সাল আহমেদ জানান, ২-৩ দিন হলো পেঁপের দাম কমেছে। সরবরাহ ভালো আছে। চাহিদাও ভালো।

রাঙামাটি ও জাফলং থেকে আসা দেশে উৎপাদিত বারমাসি তরমুজের কেজি ৪৫-৫৫ টাকা। দেশি পেয়ারা ৩৫-৪৫ টাকা কেজি, খুব ভালো মানেরটা ৫০-৬০ টাকা কেজি।

কারওয়ান বাজারে ফলের খুচরা দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দেশি স্ট্রবেরির কেজি এক হাজার ২০০ টাকা, বড় বেলের পিস ১০০-১৫০ টাকা, সফেদার কেজি ১২০-১৫০ টাকা, পেয়ারা ৭০-১০০ টাকা, দেশি ড্রাগন ফলের কেজি ৩৫০ টাকা, জলডুবি আনারস আকারভেদে ৩৫-৫০ টাকা পিস, তরমুজের কেজি ৬০-৮০ টাকা, বলসুন্দরী বরই কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকা, থাই আপেল বরই ১২০-১৪০ টাকা ও টক বরই ৭০ টাকা।

দেশি পেঁপের দাম প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকা, থাই জাতের পেঁপে ১২০-১৪০ টাকা, জামরুল ১২০-১৫০ টাকা, ঢেউয়া ২০০ টাকা, কামরাঙা ১২০ টাকা, আর চালতা পিসপ্রতি ১৫-২০ টাকা।

লাল আপেলের কেজি ২৭০-২৮০ টাকা, সবুজ আপেল ২৭০-২৮০ টাকা, মাল্টা ২০০-২৪০ টাকা, চাইনিজ কমলা ২৪০ টাকা, সবুজ কমলা ২৫০ টাকা, ভুটানি কমলা আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, কালো আঙুর ৩৫০-৪০০ টাকা, সাদা আঙুর ২৫০-৩০০ টাকা ও ভারতীয় বেদানা ২৮০-৩৫০ টাকা।

কারওয়ান বাজারে ফলের খুচরা দোকান আল্লার দান ফলবিতানের মালিক মো. হিরু ভূঁইয়া ডেইলি স্টারকে বলেন, ব্যয় অনুপাতে মানুষের আয় নেই। মানুষ ফল কিনবে কীভাবে? সবকিছুর দাম যেভাবে বেড়েছে, মানুষ পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাই কমিয়ে দিয়েছে। সেখানে ফল কেনা তো কমাবেই। নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে তো কেনাই সম্ভব না।

মোহাম্মদপুরের আদাবর, খিলগাঁও ও ফার্মগেটে ফলের খুচরা দোকান ঘুরে দেখা গেছে, হলুদ কমলার কেজি ২২০-২৫০ টাকা, সবুজ কমলা ২৬০ টাকা, কালো আঙুর ৩৫০-৪৪০ টাকা, সবুজ আঙুর ২৫০-৩০০ টাকা, দেশি ড্রাগন ফল ৪২০ টাকা, পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা, সবুজ আপেল ২৫০-৩০০ টাকা, লাল আপেল ২৮০-৩০০ টাকা, দেশি আনার ৩৮০-৪০০ টাকা, ছোট চায়না কমলা ৩০০ টাকা, মাল্টা ২৬০-২৮০ টাকা, নাশপাতি ২৩০-২৫০ টাকা, তরমুজ ৮০ টাকা, থাই আপেল বরইয়ের কেজি ১২০-১৪০ টাকা ও দেশি পেঁপে ১০০ টাকা। ডাব পিসপ্রতি ১২০ টাকা ও আনারস ৬০ টাকা। চাম্পা কলা প্রতি হালি ২০ টাকা, সবরি ও সাগর কলা ৪০ টাকা।

মোহাম্মদপুরের আদাবরে ২৫-৩০ বছর ধরে ফলের ব্যবসা করেন মো. দুলাল শিকদার। ডেইলি স্টারকে বলেন, গত মাসে ফলের সরবরাহ কম ছিল। এখন সরবরাহ বাড়ছে।

বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ফল বিক্রি কমে গেছে উল্লেখ করে ফার্মগেটের খুচরা বিক্রেতা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, আগে দৈনিক ১২-১৩ হাজার টাকার ফল বিক্রি হলেও এখন তা কমে ৫-৭ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।

কারওয়ান বাজারে কথা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের চাকরিজীবী মো. মামুনের সঙ্গে। জানান, স্ত্রী-সন্তানসহ তিনজনের পরিবার তার। দ্রব্যমূল্য বাড়ায় নিয়মিত ফল কিনতে পারেন না তিনি। তবে মাঝেমধ্যে কেনার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে প্রাধান্য দেন দেশি ফলকে।

‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যে দাম, তাই তো কেনা কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সবসময় ফল কেনা সম্ভব হয় না। কিন্তু মাঝেমধ্যে চেষ্টা করি অল্প পরিমাণে কেনার। ব্যয় অনুপাতে আয় সেভাবে বাড়েনি। প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাই। সেখানে নিয়মিত ফল কেনা তো বিলাসিতা আমাদের জন্য’, বলেন মামুন।

 

ট্যাগ:

দুর্মূল্যের বাজারে ফলের হালচাল

প্রকাশ: ০৫:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শীতের তীব্রতা কমায় বিভিন্ন ধরনের দেশি ফলের সরবরাহ বেড়েছে। তবে কমেনি দাম এবং বিক্রিও আশানুরূপ নয় বলছেন বিক্রেতারা।

আজ বুধবার সরেজমিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

কারওয়ান বাজারে দেশি ফলের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বলসুন্দরি বরই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪০-৮০ টাকায়, কুল বরই ৪০-১০০ টাকায় ও থাই আপেল বরই ৪০-৮০ টাকায়। এগুলো সাতক্ষীরা থেকে আসা। চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা দেশি পেয়ারার কেজি বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৩০-৭০ টাকা পর্যন্ত দরে।

শাহ আলী ফার্মের ব্যাপারি মো. মনির হোসেন জানান, গত শুক্রবার থেকে বরই ও পেয়ারার দাম কমেছে। এর আগে তুলনামূলক বেশি ছিল।

ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ থেকে আসা দেশি বেল ছোটগুলো ১০-১৫ টাকা পিস, আর বড়গুলো ৩০-৪০ টাকা। ভারত থেকে আসা বড় বেল আকার-মানভেদে পিসপ্রতি ১০০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফরিদপুর, যশোর ও সাতক্ষীরা থেকে আসা কদবেল প্রতি পিস ৭-৩০ টাকা।

সাতক্ষীরা ও ফরিদপুর থেকে আসা সফেদা ৫০ টাকা কেজি। সাতক্ষীরা থেকে আসা কাঠবাদাম ৮-১০ টাকা পিস।

ইসাবা এন্টারপ্রাইজের ব্যাপারি সুজন শেখ জানান, চাহিদা এখন কম। তবে শীত কমায় সরবরাহ বেশি আছে। গত সপ্তাহে সফেদার পাইকারি দাম ছিল কেজিপ্রতি ৬০-৭০ টাকা।

ঝিনাইদহ থেকে আসা চাম্পা কলা প্রতি পন (৮০ পিস) ১৮০-২০০ টাকা, সবরি কলা পনপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা ও বাংলা কলা ২৫০-৪০০ টাকা। মায়ের দোয়া ফল ভাণ্ডারের ব্যাপারি মো. মসিউর রহমান জানান, গত সপ্তাহ থেকে কলার দাম পনপ্রতি গড়ে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

দেশি ও দেশে উৎপাদিত থাই জাতের পেঁপে আসে রাঙ্গামাটি, সিলেট, টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর থেকে। পাইকারি দাম আকার-মানভেদে প্রতি কেজি ৪০-১২০ টাকা। আর দেশি পেঁপের দাম ৪০-৯০ টাকা।

মৌসুমি বাণিজ্যালয়ের ব্যাপারি ফয়সাল আহমেদ জানান, ২-৩ দিন হলো পেঁপের দাম কমেছে। সরবরাহ ভালো আছে। চাহিদাও ভালো।

রাঙামাটি ও জাফলং থেকে আসা দেশে উৎপাদিত বারমাসি তরমুজের কেজি ৪৫-৫৫ টাকা। দেশি পেয়ারা ৩৫-৪৫ টাকা কেজি, খুব ভালো মানেরটা ৫০-৬০ টাকা কেজি।

কারওয়ান বাজারে ফলের খুচরা দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দেশি স্ট্রবেরির কেজি এক হাজার ২০০ টাকা, বড় বেলের পিস ১০০-১৫০ টাকা, সফেদার কেজি ১২০-১৫০ টাকা, পেয়ারা ৭০-১০০ টাকা, দেশি ড্রাগন ফলের কেজি ৩৫০ টাকা, জলডুবি আনারস আকারভেদে ৩৫-৫০ টাকা পিস, তরমুজের কেজি ৬০-৮০ টাকা, বলসুন্দরী বরই কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকা, থাই আপেল বরই ১২০-১৪০ টাকা ও টক বরই ৭০ টাকা।

দেশি পেঁপের দাম প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকা, থাই জাতের পেঁপে ১২০-১৪০ টাকা, জামরুল ১২০-১৫০ টাকা, ঢেউয়া ২০০ টাকা, কামরাঙা ১২০ টাকা, আর চালতা পিসপ্রতি ১৫-২০ টাকা।

লাল আপেলের কেজি ২৭০-২৮০ টাকা, সবুজ আপেল ২৭০-২৮০ টাকা, মাল্টা ২০০-২৪০ টাকা, চাইনিজ কমলা ২৪০ টাকা, সবুজ কমলা ২৫০ টাকা, ভুটানি কমলা আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, কালো আঙুর ৩৫০-৪০০ টাকা, সাদা আঙুর ২৫০-৩০০ টাকা ও ভারতীয় বেদানা ২৮০-৩৫০ টাকা।

কারওয়ান বাজারে ফলের খুচরা দোকান আল্লার দান ফলবিতানের মালিক মো. হিরু ভূঁইয়া ডেইলি স্টারকে বলেন, ব্যয় অনুপাতে মানুষের আয় নেই। মানুষ ফল কিনবে কীভাবে? সবকিছুর দাম যেভাবে বেড়েছে, মানুষ পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাই কমিয়ে দিয়েছে। সেখানে ফল কেনা তো কমাবেই। নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে তো কেনাই সম্ভব না।

মোহাম্মদপুরের আদাবর, খিলগাঁও ও ফার্মগেটে ফলের খুচরা দোকান ঘুরে দেখা গেছে, হলুদ কমলার কেজি ২২০-২৫০ টাকা, সবুজ কমলা ২৬০ টাকা, কালো আঙুর ৩৫০-৪৪০ টাকা, সবুজ আঙুর ২৫০-৩০০ টাকা, দেশি ড্রাগন ফল ৪২০ টাকা, পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা, সবুজ আপেল ২৫০-৩০০ টাকা, লাল আপেল ২৮০-৩০০ টাকা, দেশি আনার ৩৮০-৪০০ টাকা, ছোট চায়না কমলা ৩০০ টাকা, মাল্টা ২৬০-২৮০ টাকা, নাশপাতি ২৩০-২৫০ টাকা, তরমুজ ৮০ টাকা, থাই আপেল বরইয়ের কেজি ১২০-১৪০ টাকা ও দেশি পেঁপে ১০০ টাকা। ডাব পিসপ্রতি ১২০ টাকা ও আনারস ৬০ টাকা। চাম্পা কলা প্রতি হালি ২০ টাকা, সবরি ও সাগর কলা ৪০ টাকা।

মোহাম্মদপুরের আদাবরে ২৫-৩০ বছর ধরে ফলের ব্যবসা করেন মো. দুলাল শিকদার। ডেইলি স্টারকে বলেন, গত মাসে ফলের সরবরাহ কম ছিল। এখন সরবরাহ বাড়ছে।

বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ফল বিক্রি কমে গেছে উল্লেখ করে ফার্মগেটের খুচরা বিক্রেতা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, আগে দৈনিক ১২-১৩ হাজার টাকার ফল বিক্রি হলেও এখন তা কমে ৫-৭ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।

কারওয়ান বাজারে কথা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের চাকরিজীবী মো. মামুনের সঙ্গে। জানান, স্ত্রী-সন্তানসহ তিনজনের পরিবার তার। দ্রব্যমূল্য বাড়ায় নিয়মিত ফল কিনতে পারেন না তিনি। তবে মাঝেমধ্যে কেনার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে প্রাধান্য দেন দেশি ফলকে।

‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যে দাম, তাই তো কেনা কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সবসময় ফল কেনা সম্ভব হয় না। কিন্তু মাঝেমধ্যে চেষ্টা করি অল্প পরিমাণে কেনার। ব্যয় অনুপাতে আয় সেভাবে বাড়েনি। প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাই। সেখানে নিয়মিত ফল কেনা তো বিলাসিতা আমাদের জন্য’, বলেন মামুন।