১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভাগাভাগির সরকার হতে পারে পাকিস্তানে

পাকিস্তানে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনে জোট গড়তে ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। এদিকে ইমরান খানের দল সর্বোচ্চ আসন পেলেও; তাদের সরকার গঠনের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

নির্বাচনের আগে ধারণা করা হয়েছিল, নওয়াজ শরীফের দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। তবে নির্বাচনের ফলাফলে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকায় সরকার গঠনে নওয়াজ শরিফ পিপিপি’র সঙ্গে জোট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু পিপিপি’র চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর শর্তেই শুধু পিএমএল-এনের সঙ্গে পিপিপি সমঝোতায় রাজি হবে বলে জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। আর এ নিয়েই দুই দলে জোট গঠনে চলছে নানা আলোচনা, প্রস্তাবনা।

এরই প্রেক্ষিতে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই দুই দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দেশকে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই পক্ষের মধ্যে মতৈক্য হয়েছে বলে পিএমএল-এনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

এদিকে ওই বৈঠকের পর পিএমএল-এন ও পিপিপি একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বলে জিও নিউজ জানিয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিপিপি এবং পিএমএল-এনের নেতারা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ক্ষমতা ভাগাভাগির কথা ভাবছেন। এর অংশ হিসেবে সংবিধান অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের জন্য তারা সরকার গঠন করবেন। এই পাঁচ বছরের মধ্যে আড়াই বছর করে পিএমএল-এন এবং পিপিপির প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।

বৈঠকে পিপিপি-পার্লামেন্টারিয়ান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল-ভুট্টো জারদারি এবং পিএমএল-এন থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়াও পিপিপি এবং পিএমএল-এন অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ:

ভাগাভাগির সরকার হতে পারে পাকিস্তানে

প্রকাশ: ০৭:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাকিস্তানে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনে জোট গড়তে ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। এদিকে ইমরান খানের দল সর্বোচ্চ আসন পেলেও; তাদের সরকার গঠনের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

নির্বাচনের আগে ধারণা করা হয়েছিল, নওয়াজ শরীফের দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। তবে নির্বাচনের ফলাফলে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকায় সরকার গঠনে নওয়াজ শরিফ পিপিপি’র সঙ্গে জোট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু পিপিপি’র চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর শর্তেই শুধু পিএমএল-এনের সঙ্গে পিপিপি সমঝোতায় রাজি হবে বলে জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। আর এ নিয়েই দুই দলে জোট গঠনে চলছে নানা আলোচনা, প্রস্তাবনা।

এরই প্রেক্ষিতে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই দুই দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দেশকে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই পক্ষের মধ্যে মতৈক্য হয়েছে বলে পিএমএল-এনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

এদিকে ওই বৈঠকের পর পিএমএল-এন ও পিপিপি একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বলে জিও নিউজ জানিয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিপিপি এবং পিএমএল-এনের নেতারা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ক্ষমতা ভাগাভাগির কথা ভাবছেন। এর অংশ হিসেবে সংবিধান অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের জন্য তারা সরকার গঠন করবেন। এই পাঁচ বছরের মধ্যে আড়াই বছর করে পিএমএল-এন এবং পিপিপির প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।

বৈঠকে পিপিপি-পার্লামেন্টারিয়ান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল-ভুট্টো জারদারি এবং পিএমএল-এন থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়াও পিপিপি এবং পিএমএল-এন অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।