১২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী হতে চান কঙ্গনা?

বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত বিভিন্ন সময় নিজের মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে আসেন। এই মুহূর্তে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে অভিনেত্রীর চলচ্চিত্র ‘ইমার্জেন্সি।’ সম্প্রতি সিনেমাটি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজনীতির প্রসঙ্গেও নিজের অভিমত জানিয়েছেন কঙ্গনা। জানালেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রসঙ্গে নিজের স্পষ্ট জবাব।

সম্প্রতি ‘রাজাকার: সাইলেন্ট জেনোসাইড অফ হায়দরাবাদ’ সিনেমার ট্রেলার উন্মোচন অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি। অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয়, ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনও পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে কি না? জবাবে তিনি জানান, “আমি শুধু ইমার্জেন্সি নামে একটা সিনেমা করেছি মাত্র। আর সেই সিনেমাটি দেখার পর আমার মনে হয় না কেউ আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইবেন।

এককথায় তিনি এখানে জরুরী অবস্থায় ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে নেতিবাচক দিকটাই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে অযোধ্যায় গিয়ে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন ‘কৃষ্ণের আশীর্বাদ থাকলে লোকসভায় লড়ব।’ সাম্প্রতিক সময়ে কঙ্গনার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে গেরুয়া শিবিরের স্বঘোষিত সমর্থক হয়েও রাজনীতির ময়দানে এখনও পর্যন্ত তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি।

সামাজিক মাধ্যমেই তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় সাধারণত। ২০২০ সালে বিএমসির সঙ্গে আইনি জটিলতার পরই মোদি সরকারের পক্ষ থেকে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেয়েছেন অভিনেত্রী। একাধিকবার জনসমক্ষে বিজেপির হয়ে গলা ফাটাতেও দেখা গেছে তাকে।শুধু তাই নয়, সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদিকে ‘আধুনিক ভারতের বিশ্বকর্মা’ বলেও প্রশংসা করেছেন। দুই বছর আগে বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন।

তবে গেরুয়া শিবির থেকে তাঁর সেই প্রেক্ষিতে তেমন কোনো সাড়া দেখা যায়নি। এখন সময়ই বলে দেবে, অভিনয় ছেড়ে রাজনীতির মাঠে নিয়মিত হব্নে নাকি কঙ্গনা! কারন বিগত সময়ে অভিনেত্রীর সিনেমাগুলো একরকম মুখ থুবড়েই পড়ছে বলিউড বক্স অফিসে! যা অভিনেত্রীর জন্য হতাশাই বলা চলে। 

প্রধানমন্ত্রী হতে চান কঙ্গনা?

প্রকাশ: ১০:৪৩:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত বিভিন্ন সময় নিজের মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে আসেন। এই মুহূর্তে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে অভিনেত্রীর চলচ্চিত্র ‘ইমার্জেন্সি।’ সম্প্রতি সিনেমাটি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজনীতির প্রসঙ্গেও নিজের অভিমত জানিয়েছেন কঙ্গনা। জানালেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রসঙ্গে নিজের স্পষ্ট জবাব।

সম্প্রতি ‘রাজাকার: সাইলেন্ট জেনোসাইড অফ হায়দরাবাদ’ সিনেমার ট্রেলার উন্মোচন অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি। অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয়, ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনও পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে কি না? জবাবে তিনি জানান, “আমি শুধু ইমার্জেন্সি নামে একটা সিনেমা করেছি মাত্র। আর সেই সিনেমাটি দেখার পর আমার মনে হয় না কেউ আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইবেন।

এককথায় তিনি এখানে জরুরী অবস্থায় ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে নেতিবাচক দিকটাই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে অযোধ্যায় গিয়ে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন ‘কৃষ্ণের আশীর্বাদ থাকলে লোকসভায় লড়ব।’ সাম্প্রতিক সময়ে কঙ্গনার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে গেরুয়া শিবিরের স্বঘোষিত সমর্থক হয়েও রাজনীতির ময়দানে এখনও পর্যন্ত তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি।

সামাজিক মাধ্যমেই তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় সাধারণত। ২০২০ সালে বিএমসির সঙ্গে আইনি জটিলতার পরই মোদি সরকারের পক্ষ থেকে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেয়েছেন অভিনেত্রী। একাধিকবার জনসমক্ষে বিজেপির হয়ে গলা ফাটাতেও দেখা গেছে তাকে।শুধু তাই নয়, সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদিকে ‘আধুনিক ভারতের বিশ্বকর্মা’ বলেও প্রশংসা করেছেন। দুই বছর আগে বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন।

তবে গেরুয়া শিবির থেকে তাঁর সেই প্রেক্ষিতে তেমন কোনো সাড়া দেখা যায়নি। এখন সময়ই বলে দেবে, অভিনয় ছেড়ে রাজনীতির মাঠে নিয়মিত হব্নে নাকি কঙ্গনা! কারন বিগত সময়ে অভিনেত্রীর সিনেমাগুলো একরকম মুখ থুবড়েই পড়ছে বলিউড বক্স অফিসে! যা অভিনেত্রীর জন্য হতাশাই বলা চলে।