১২:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুরমা ব্যবহার নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) যা বলেছেন

সুরমা একটি খনিজ পদার্থ। এর মূল উপাদান হলো লেড সালফাইড। লেড সালফাইড গুঁড়া করেই সুরমা তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে মাস্ক গুঁড়া, জমজমের পানি ও মধু মিশিয়ে চোখের বিভিন্ন রোগ সারাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

নারী-পুরুষ সবার জন্যই সুরমা ব্যবহার বৈধ। সাধারণত বাহ্যিক সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্দেশে সুরমা ব্যবহার করা হয়ে থাকে; তবে একজন মুসলিম চাইলেই সুরমা ব্যবহারের মাধ্যমে নবীজির সুন্নতের অনুসরণ করতে পারেন। কারণ, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুরমা ব্যবহার করতেন। এজন্য শুধু নিয়ত করে নিতে হবে।

এতে করে প্রিয়নবীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পাবে একইসঙ্গে চোখের উপকারিতার পাশাপাশি সুন্নতও আদায় হয়।

সুরমা ব্যবহার সম্পর্কে এক হাদিসে হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা ’ইছমিদ’ সুরমা ব্যবহার করো। কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে ও পরিষ্কার রাখে এবং অধিক ভ্রু উৎপন্ন করে (ভ্রু উদগত হয়)।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরও বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি সুরমাদানী ছিল। প্রত্যেক রাত্রে (ঘুমানোর পূর্বে) ডান চোখে তিনবার এবং বাম চোখে তিনবার সুরমা লাগাতেন। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস, ৪২)

সুরমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভ্যাস সম্পৃক্ত সুন্নাহ। এটা ইবাদত সম্পৃক্ত সুন্নাহ নয়। এটা তাই সুরমা ব্যবহার করা একেবারে জরুরি কিছু নয়। যদি কেউ সুরমা ব্যবহার না করে তাহলে এর জন্য তাকে তিরস্কার করা যাবে না।

নারী-পুরুষ উভয়ে সুরমা ব্যবহার করতে পারে। পুরুষেরা নবীজির আদর্শ হিসেবে চোখে সুরমা ব্যবহার করবেন, সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নয়। আর মেয়েরা চোখের উপকারিতা ও স্বামীর কাছে সৌন্দর্য প্রকাশের উদ্দেশে সুরমা ব্যবহার করবেন।

ট্যাগ:

সুরমা ব্যবহার নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) যা বলেছেন

প্রকাশ: ১০:৫৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সুরমা একটি খনিজ পদার্থ। এর মূল উপাদান হলো লেড সালফাইড। লেড সালফাইড গুঁড়া করেই সুরমা তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে মাস্ক গুঁড়া, জমজমের পানি ও মধু মিশিয়ে চোখের বিভিন্ন রোগ সারাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

নারী-পুরুষ সবার জন্যই সুরমা ব্যবহার বৈধ। সাধারণত বাহ্যিক সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্দেশে সুরমা ব্যবহার করা হয়ে থাকে; তবে একজন মুসলিম চাইলেই সুরমা ব্যবহারের মাধ্যমে নবীজির সুন্নতের অনুসরণ করতে পারেন। কারণ, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুরমা ব্যবহার করতেন। এজন্য শুধু নিয়ত করে নিতে হবে।

এতে করে প্রিয়নবীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পাবে একইসঙ্গে চোখের উপকারিতার পাশাপাশি সুন্নতও আদায় হয়।

সুরমা ব্যবহার সম্পর্কে এক হাদিসে হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা ’ইছমিদ’ সুরমা ব্যবহার করো। কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে ও পরিষ্কার রাখে এবং অধিক ভ্রু উৎপন্ন করে (ভ্রু উদগত হয়)।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরও বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি সুরমাদানী ছিল। প্রত্যেক রাত্রে (ঘুমানোর পূর্বে) ডান চোখে তিনবার এবং বাম চোখে তিনবার সুরমা লাগাতেন। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস, ৪২)

সুরমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভ্যাস সম্পৃক্ত সুন্নাহ। এটা ইবাদত সম্পৃক্ত সুন্নাহ নয়। এটা তাই সুরমা ব্যবহার করা একেবারে জরুরি কিছু নয়। যদি কেউ সুরমা ব্যবহার না করে তাহলে এর জন্য তাকে তিরস্কার করা যাবে না।

নারী-পুরুষ উভয়ে সুরমা ব্যবহার করতে পারে। পুরুষেরা নবীজির আদর্শ হিসেবে চোখে সুরমা ব্যবহার করবেন, সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নয়। আর মেয়েরা চোখের উপকারিতা ও স্বামীর কাছে সৌন্দর্য প্রকাশের উদ্দেশে সুরমা ব্যবহার করবেন।