১১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

১২ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল পণ্ড

পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়েছে ১২ দলীয় জোটের ডাকা বিক্ষোভ মিছিল। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জোটের ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের জন্য নেতাকর্মীরা দাঁড়ালে বাধা দেয় পুলিশ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ‘ইন্ডিয়া আউট’ ‘বয়কট ইন্ডিয়া’ এমন ফেস্টুন তুলে ধরে বিক্ষোভ মিছিল ডাক দেয় জোটটি।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি জন্য সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করতে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ব্যানার কেড়ে নেয়। পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন নেতারা। এরপর নেতারা সেখান থেকে চলে গিয়ে ঝটিকা মিছিল করে করে। মিছিলটি প্রেসক্লাবের অপর পাশের সড়ক দিয়ে পল্টনমুখী হলে মেহেরবা প্লাজায় গিয়ে শেষ হয়।

জোটের নেতাদের পুলিশের কর্মকর্তা জানান, ‘আপনারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কর্মসূচি করতে পারেন। এখানে আমাদের তরফ থেকে কোনো বাধা নেই। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কর্মসূচি করতে দিতে পারেন না।’

বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা ও লাঠিচার্জ করেছে এমন অভিযোগ করে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, একটি বাকশাল রাষ্ট্র কায়েম করেছে সরকার। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বাধা দিয়েছে সরকার। সরকারের পুলিশ বাহিনী আমাদের বিক্ষোভের ফেস্টুন কেড়ে নিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদের ফোন কেড়ে নেয়। এমনকি বাধার মুখে চলে আসার সময় পেছনের নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে।

জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আমরা বিক্ষোভ মিছিলের আগে সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়েছে, হুমকি দিয়েছে। আজকে মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলতে পারে না।

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির একাংশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির মো. ফরিদ উদ্দিন, আব্দুল হাই নোমান, যুব জাগপার নজরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ। কর্মসূচির শুরুতে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, মহাসচিব আহসান হাবীব লিংকন উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ:

১২ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল পণ্ড

প্রকাশ: ০২:৪২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়েছে ১২ দলীয় জোটের ডাকা বিক্ষোভ মিছিল। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জোটের ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের জন্য নেতাকর্মীরা দাঁড়ালে বাধা দেয় পুলিশ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ‘ইন্ডিয়া আউট’ ‘বয়কট ইন্ডিয়া’ এমন ফেস্টুন তুলে ধরে বিক্ষোভ মিছিল ডাক দেয় জোটটি।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি জন্য সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করতে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের ব্যানার কেড়ে নেয়। পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন নেতারা। এরপর নেতারা সেখান থেকে চলে গিয়ে ঝটিকা মিছিল করে করে। মিছিলটি প্রেসক্লাবের অপর পাশের সড়ক দিয়ে পল্টনমুখী হলে মেহেরবা প্লাজায় গিয়ে শেষ হয়।

জোটের নেতাদের পুলিশের কর্মকর্তা জানান, ‘আপনারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কর্মসূচি করতে পারেন। এখানে আমাদের তরফ থেকে কোনো বাধা নেই। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কর্মসূচি করতে দিতে পারেন না।’

বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা ও লাঠিচার্জ করেছে এমন অভিযোগ করে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, একটি বাকশাল রাষ্ট্র কায়েম করেছে সরকার। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বাধা দিয়েছে সরকার। সরকারের পুলিশ বাহিনী আমাদের বিক্ষোভের ফেস্টুন কেড়ে নিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ছবি তুলতে গেলে তাদের ফোন কেড়ে নেয়। এমনকি বাধার মুখে চলে আসার সময় পেছনের নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে।

জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আমরা বিক্ষোভ মিছিলের আগে সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়েছে, হুমকি দিয়েছে। আজকে মানুষের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। এভাবে একটি রাষ্ট্র চলতে পারে না।

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির একাংশের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির মো. ফরিদ উদ্দিন, আব্দুল হাই নোমান, যুব জাগপার নজরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ। কর্মসূচির শুরুতে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, মহাসচিব আহসান হাবীব লিংকন উপস্থিত ছিলেন।