০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘আ. লীগ ও ছাত্রলীগের উচিৎ স্বেচ্ছায় বিচারের মুখোমুখি হওয়া’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা করে আতঙ্ক তৈরি করছে। এতে কোনো লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া তাদের অন্য কোনো গতি নেই।

বরং তারা নিজেরাই যদি নিজ দায়িত্বে আত্মসমর্পণ করে এটা তাদের জন্য ভালো এবং দেশের জন্য মঙ্গল হবে।

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার সাঙ্গাম মোড়ে ‘মুগ্ধ মঞ্চে’ পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা মুক্ত মঞ্চে হামলা ও কালি লেপন করে। গতকাল রাতে এর প্রতিবাদে মশাল মিছিল করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

আজ তাদের আহবানে মুক্ত মঞ্চ পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা নাইদ ইসলাম। এসময় বৈষম্যবিরোধী অনেক শিক্ষার্থী তার কাছে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব অভিযোগের বিষয় উত্তরা পশ্চিম থানা ও পূর্ব থানায় পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা।

উপদেষ্টা বলেন, গতকাল যে ঘটনা উত্তরায় ঘটেছে তার পরিপ্রেক্ষিতেই আমি এখানে পরিদর্শনে এসেছি।

যারা এই কাজে জড়িত দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরকে চিহ্নিত করে যেন আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়, আমি সেজন্য নির্দেশনা দিয়েছি। সে অনুযায়ী থানা কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। আমি আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যারা এই ধরনের নেক কাজ করেছেন তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।

অন্যদিকে মুগ্ধর বড় ভাই মীর মাহমুদুর রহমান (দীপ্ত) কালের কণ্ঠকে বলেন, শহীদদেরকে রাষ্ট্রীয় বীর ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

তাদের সম্মানহানি হয় এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রের উচিত ব্যবস্থা নেওয়া। মুক্ত মঞ্চে হামলা ও কালিলেপন, এটা নেককারজনক ঘটনা। এটা সাধারণ মানুষের মনের ভেতরে আঘাত করেছে।

বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যরা বলেন, মুক্ত মঞ্চসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সরকারের নজরদারিতা ও নিরাপত্তা রাখা উচিত। এ ধরনের ঘটনা ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ কখনোই মেনে নিতে পারে না। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে উত্তরা-পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, গতকাল রাত থেকেই আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়েছে। সেখান থেকে তাদেরকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ে তাদেরকে চিহ্নিত করে আমরা গ্রেপ্তার করতে পারব।

জনপ্রিয়

‘আ. লীগ ও ছাত্রলীগের উচিৎ স্বেচ্ছায় বিচারের মুখোমুখি হওয়া’

প্রকাশ: ০৪:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা করে আতঙ্ক তৈরি করছে। এতে কোনো লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া তাদের অন্য কোনো গতি নেই।

বরং তারা নিজেরাই যদি নিজ দায়িত্বে আত্মসমর্পণ করে এটা তাদের জন্য ভালো এবং দেশের জন্য মঙ্গল হবে।

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার সাঙ্গাম মোড়ে ‘মুগ্ধ মঞ্চে’ পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা মুক্ত মঞ্চে হামলা ও কালি লেপন করে। গতকাল রাতে এর প্রতিবাদে মশাল মিছিল করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

আজ তাদের আহবানে মুক্ত মঞ্চ পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা নাইদ ইসলাম। এসময় বৈষম্যবিরোধী অনেক শিক্ষার্থী তার কাছে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব অভিযোগের বিষয় উত্তরা পশ্চিম থানা ও পূর্ব থানায় পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা।

উপদেষ্টা বলেন, গতকাল যে ঘটনা উত্তরায় ঘটেছে তার পরিপ্রেক্ষিতেই আমি এখানে পরিদর্শনে এসেছি।

যারা এই কাজে জড়িত দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরকে চিহ্নিত করে যেন আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়, আমি সেজন্য নির্দেশনা দিয়েছি। সে অনুযায়ী থানা কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। আমি আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যারা এই ধরনের নেক কাজ করেছেন তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।

অন্যদিকে মুগ্ধর বড় ভাই মীর মাহমুদুর রহমান (দীপ্ত) কালের কণ্ঠকে বলেন, শহীদদেরকে রাষ্ট্রীয় বীর ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

তাদের সম্মানহানি হয় এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রের উচিত ব্যবস্থা নেওয়া। মুক্ত মঞ্চে হামলা ও কালিলেপন, এটা নেককারজনক ঘটনা। এটা সাধারণ মানুষের মনের ভেতরে আঘাত করেছে।

বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যরা বলেন, মুক্ত মঞ্চসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সরকারের নজরদারিতা ও নিরাপত্তা রাখা উচিত। এ ধরনের ঘটনা ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ কখনোই মেনে নিতে পারে না। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে উত্তরা-পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, গতকাল রাত থেকেই আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়েছে। সেখান থেকে তাদেরকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ে তাদেরকে চিহ্নিত করে আমরা গ্রেপ্তার করতে পারব।